"আজ ধানের খেতে রৌদ্র ছায়ায় লুকচুরি "

আজ ধানের খেতে রৌদ্র ছায়ায় লুকচুরি খেলা।
নীল আকাশে কে ভাসালে
সাদা মেঘের ভেলা।
আজ ভ্রমর ভোলে মধু খেতে,
উড়ে বেড়ায় আলোয় মেতে,
আজ কিসের তরে নদীর চরে
চখাচখির মেলা।

ওরে যাবো না আজ ঘরে রে ভাই,
যাবো না আজ ঘরে!
আকাশ ভেঙে বাহিরকে আজ
নেব রে লুঠ করে।
যেন জোয়ার জলে ফেনার রাশি
বাতাসে আজ ফুটেছে হাসি,
আজ বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি
কাটবে সারা বেলা।



"গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ"

গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ
আমার মন ভুলায় রে।
ওরে কার পানে মন হাত বাড়িয়ে;
লুটিয়ে যায় ধুলায় রে।।

ও যে আমায় ঘরের বাহির করে,
পায়ে-পায়ে পায়ে ধরে
মরি হায় হায় রে।
ও যে কেড়ে আমায় নিয়ে যায় রে;
যায় রে কোন্ চুলায় রে।।

ও যে কোন্ বাঁকে কী ধন দেখাবে,
কোনখানে কী দায় ঠেকাবে–
কোথায় গিয়ে শেষ মেলে যে;
ভেবেই না কুলায় রে।।





"প্রজাপতি! প্রজাপতি!"

প্রজাপতি! প্রজাপতি!
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা।
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা।।

তুমি টুলটুলে বন-ফুলে মধু খাও।
মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও।।
ওই পাখা দাও, সোনালী-রূপালী পরাগ মাখা
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা।।

মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে
প্রজাপতি, তুমি নিয়ে যাও সাথী করে
তোমার সাথে,প্রজাপতি।।
তুমি হাইয়ায় নেচে নেচে যাও
আজ তোমার মত মোরে আনন্দ দাও,
এই জামা ভাল লাগে না
দাও জামা ছবি-আঁকা।
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা।।